Dark Mode
Tuesday, 25 June 2024
Logo
হযরত ইসমাইল (আঃ) কোরবানী ও ধৈয্যের পরিক্ষা

হযরত ইসমাইল (আঃ) কোরবানী ও ধৈয্যের পরিক্ষা

হযরত ইসমাইল (আঃ) এর কুরবানীর ইতিহাস ইসলাম ধর্মের অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হয়। এটি কুরবানী ঈদের মূল বিষয়বস্তু এবং মুসলিমদের জন্য একটি বিশাল অনুপ্রেরণার উৎস।

হযরত ইসমাইল (আঃ) ছিলেন হযরত ইবরাহিম (আঃ) এবং তার স্ত্রী হযরত হাজেরা (আঃ) এর পুত্র। ইসমাইল (আঃ) এর জন্মের পরই, আল্লাহ তায়ালা হযরত ইবরাহিম (আঃ) কে একটি বিশেষ পরীক্ষা দিতে চেয়েছিলেন। এই পরীক্ষায় ইবরাহিম (আঃ) কে তার সবচেয়ে প্রিয় বস্তু অর্থাৎ তার পুত্র ইসমাইল (আঃ) কে কুরবানী করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

কুরআনে এই ঘটনার উল্লেখ সুরা আস-সাফফাত (৩৭:১০২-১০৭) এ পাওয়া যায়:

> "তবে যখন সে তার পিতার সাথে দৌড়ানোর বয়স অর্জন করলো, তখন ইবরাহিম বললেন, ‘ও আমার প্রিয় বৎস! আমি স্বপ্নে দেখছি যে আমি তোমাকে কুরবানী করছি। এখন বলো, তোমার কি মত?’ সে বললো, ‘পিতা, যা আপনাকে আদিষ্ট করা হয়েছে তা করুন। আল্লাহ চাইলে আপনি আমাকে ধৈর্যশীলদের একজন হিসেবে পাবেন।’ এরপর, যখন তারা দুজনই আত্মসমর্পণ করলো এবং ইবরাহিম তাকে কুরবানীর জন্য মাটিতে শুইয়ে দিলো, আমরা তাকে ডাকলাম, ‘হে ইবরাহিম! তুমি স্বপ্নকে সত্য প্রমাণ করেছো। আমরা ভালো কাজের লোকদের এমনই পুরস্কৃত করি। এটা তো এক স্পষ্ট পরীক্ষা ছিল। আর আমরা তাকে মহান কুরবানী দ্বারা মুক্ত করলাম।"

এই পরীক্ষার মাধ্যমে, ইবরাহিম (আঃ) তার আল্লাহর প্রতি অবিচল বিশ্বাস এবং আনুগত্য প্রদর্শন করেন। আল্লাহ তায়ালা তার আনুগত্যের পুরস্কারস্বরূপ একটি পশু (মেষ) পাঠান যা ইসমাইল (আঃ) এর পরিবর্তে কুরবানী করা হয়। এ ঘটনার স্মরণে, মুসলিমরা প্রতি বছর ঈদুল আযহা পালন করে এবং পশু কুরবানী করে।

এ ঘটনাটি মুসলিমদের জন্য ত্যাগের শিক্ষা এবং আল্লাহর প্রতি অবিচল বিশ্বাসের একটি মহান উদাহরণ হিসেবে গণ্য হয়।



Comment / Reply From