শুক্রবার (১ আগস্ট) বিকেলে ফটিকছড়ি পৌরসভার মাজেরহাট এলাকায় অবস্থিত ঐতিহাসিক আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসায় এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে নেতৃদ্বয় এই সাক্ষাতে অংশ নেন। সাক্ষাৎ শেষে সংক্ষিপ্ত ব্রিফিংয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, "আমরা রাজনৈতিক কোনো এজেন্ডা নিয়ে আসিনি। আমাদের চেয়াপারসন ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের পক্ষ থেকে শাইখুল হাদীসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এসেছি। তার শরীর-স্বাস্থ্য সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়েছি এবং শুভেচ্ছা বিনিময় হয়েছে। অন্য কোনো বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়নি। এর আগে তারা হাটহাজারী দারুল উলূম মুঈনুল ইসলাম মাদ্রাসায় হেফাজতের সাবেক আমীর মরহুম আল্লামা শাহ আহমদ শফী (রহ.) ও শাইখুল হাদীস আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী (রহ.)-এর কবর জিয়ারত করেন। সাক্ষাতে হেফাজতের পক্ষে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য না এলেও সংগঠনের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মীর ইদ্রীস বলেন, "এটি শুধুমাত্র সৌজন্য সাক্ষাৎ ছিল। জাতীয় নির্বাচন বা রাজনৈতিক কোনো বিষয়ে আলোচনা হয়নি। বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল, ফটিকছড়ি উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কর্নেল (অব.) আজিম উল্লাহ বাহার, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সরোয়ার আলমগীর, লায়ন হেলালসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। এ সৌজন্য সাক্ষাৎকে কেন্দ্র করে ফটিকছড়ির রাজনৈতিক অঙ্গনে বেশ আগ্রহ ও নানা আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। যদিও বিএনপির পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, এটি ছিল শুধুই ধর্মীয় সৌজন্যমূলক একটি সাক্ষাৎ।