Dark Mode
Sunday, 14 July 2024
Logo
ঈদের পর বাজারে ক্রেতা কম, প্রতিটি জিনিসের দাম বাড়ছে অস্বাভাবিক হারে

ঈদের পর বাজারে ক্রেতা কম, প্রতিটি জিনিসের দাম বাড়ছে অস্বাভাবিক হারে

বেনাপোল প্রতিনিধি
ঈদের পরে বাজারে ক্রেতা কমলেও দাম কমেনি নিত্যপণ্যের। অনেক পন্যের মূল্য বেড়েছে অস্বাভাবিক হারে। রাতারাতি পেঁয়াজ কেজি প্রতি বেড়েছে ১০ টাকা। বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৯০ টাকা। চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় খামারি মুরগির দাম বেড়েছে ডজনে ২০ টাকা। সোনালি মুরগি প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩২০ টাকা। দেশী মুরগী বিক্রি হচ্ছে ৬৫০ টাকা দরে। এ সপ্তাহে সবজির দামও বেড়েছে আরও একদফা।
তবে মৌসুম শুরু হওয়ায় ইলিশ মাছের দাম কিছুট কমতির দিকে।
বাজার ঘুড়ে দেখা যায়, বৃহস্পতিবারও দেশি পেঁয়াজ ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। বতর্মানে ৯০ টাকা।

আড়তদার অজিজুর রহমান জানান, পেঁয়াজ রাজবাড়ি জেলার নারুয়া, সমাধিনগর ও বালিয়াকান্দি থেকে কিনে আনতে হয়। সেখানে পাইকারি ৭৭ টাকা ৫০ পয়সা দরে বিক্রি হয়েছে। শুক্রবার প্রতি কেজি পেঁয়াজ পাইকারি দর ৮২ টাকা থেকে ৮৫ টাকায় বিক্রি করা হয়। আমদানি করা ভারতীয় পেঁয়াজের দাম বেশি হওয়ায় তিনি দেশি পেঁয়াজের দাম আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

প্রতি বছর দেখা যায়, কুরবানি ঈদের পরে বিয়ের অনুষ্ঠানে অতিথি আপ্যায়নের জন্য মুরগির প্রয়োজন হয়।

খামারি সোনালি মুরগির চাহিদা সবচেয়ে বেশি থাকে। এই সুযোগে খামারিরাও বাড়িয়ে দিয়েছে সোনালি মুরগির দাম।
খুচরা বিক্রেতা ইমরান হোসেন জানান, তিনি রবিবার খামারি সোনালি মুরগি প্রতি কেজি ৩২০ টাকা দরে বিক্রি করেন। ঈদের আগেও বিক্রি করা হয় প্রতিকেজি ৩০০ টাকা কেজি দরে।

গ্রীষ্মকালজুড়ে সবজির বাজারে যে উত্তাপ ছিল বর্ষাতেও তা কমেনি। বরং আরও বেড়েছে।
রবিবার খুচরা সবজি বিক্রেতা নাসির উদ্দিন জানান, উচ্ছে বিক্রি করেছেন প্রতি কেজি ১৬০ টাকা, গাজর ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা, টমেটো ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা, শসা ১২০ টাকা, বরবটি ১০০ টাকা, বেগুন ৮০ থেকে ১০০ টাকা, কাকরোল ৮০ থেকে ১০০ টাকা,কচুরমুখি ৮০ কে ১০০ টাকা ও করোলা ৮০ টাকা দরে।
তিনি জানান, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ফলন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বাজারে এসব সবজির সরবরাহ কমেছে। এ কারণে দাম বেশি।
বেনাপোল, শার্শা, জিকরগাছা ও যশোর বাজারে করে ইলিশ মাছের সরবরাহ বাড়ছে।

মাছবাজারে খুচরা বিক্রেতা এরশাদ আলী রবিবার জানান, নদীর ১ কেজি ২শ গ্রাম আকারের ইলিশ প্রতি কেজি ১৮শ টাকায় বিক্রি করেছেন। যা গত সপ্তাহেও বিক্রি হয়েছিল ২২শ টাকায়। এক কেজি ইলিশ বিক্রি করেছেন ১৭শ টাকায়, যা গত সপ্তাহে দাম ছিল ২ হাজার টাকা। আর ৮শ/৯শ গ্রাম সাইজের ইলিশ বিক্রি করছেন প্রতি কেজি ১৫শ/১৬শ টাকা, যা গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছিল ১৭শ/১৮শ টাকা দরে।

আড়তদার পিয়ার মুহাম্মদ জানান, বর্ষা এসেছে, এখন ইলিশের সরবরাহ বাড়বে। ভোলা, বরিশাল ও বরগুনা জেলা থেকে সেখানকার আড়তদার ও মহাজনরা যশোরে ইলিশ মাছ পাইকারি দরে বিক্রির জন্য বিভিন্ন আড়তে অল্প অল্প করে পাঠাচ্ছেন।



Comment / Reply From