ঈদুল ফিতরে ডিএমপির ১৪টি বিশেষ নির্দেশনা

20

পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজের জামাত আদায়ের জন্য বিশেষ কিছু নির্দেশনা দিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম।

আজ শুক্রবার ডিএমপি কমিশনারের দেওয়া ওই আদেশে গুরুত্ব দিয়ে বলা হয়েছে, ধর্মপ্রাণ মুসল্লিগণ প্রত্যেকে নিজ নিজ দায়িত্বে জায়নামাজ নিয়ে আসবেন। মসজিদে সংরক্ষিত জায়নামাজ ও টুপি ব্যবহার করা যাবে না। সেই সঙ্গে মসজিদের ওজুখানা ব্যবহার না করে প্রত্যেককে নিজ নিজ বাসস্থান থেকে ওজু করে মসজিদে আসতে হব।

মহামারি করোনাভাইরাসের বিস্তাররোধে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ঈদুল ফিতর উদযাপন করতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ সম্মানিত ধর্মপ্রাণ নাগরিকবৃন্দকে অনুরোধ জানিয়ে ডিএমপি সদর দপ্তরের ওই নির্দেনায় আরো বলা হয়, আগামী ২৫ মে (চাঁদ দেখার উপর নির্ভরশীল) ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। মহামারি করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবজনিত কারণে ওইদিন ঈদগাহ বা উন্মুক্ত স্থানে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের নামাজের জামায়াত অনুষ্ঠিত হবে না।

এই ক্ষেত্রে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিগণের জীবনের ঝুঁকি বিবেচনা করে এ বছর ঈদের নামাজের জামায়াত খোলা জায়গার পরিবর্তে নিকটস্থ মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে। প্রয়োজনে একই মসজিদে একাধিক জামায়াতের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। এক্ষেত্রে ডিএমপির নির্দেশনাসমূহ মেনে চলার জন্য অনুরোধ করা হলো।

ডিএমপির নির্দেশনা : ঈদের নামাজের জামায়াতের পূর্বে সম্পূর্ণ মসজিদ জীবাণুনাশক দ্বারা পরিস্কার করতে হবে, ঈদের নামাজের জামায়াতের সময় মসজিদে কার্পেট বিছানো যাবে না, ধর্মপ্রাণ মুসল্লিগণ প্রত্যেকে নিজ নিজ দায়িত্বে জায়নামাজ নিয়ে আসবেন, মসজিদে সংরক্ষিত জায়নামাজ ও টুপি ব্যবহার করা যাবে না।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধ নিশ্চিতকল্পে মসজিদে প্রবেশদ্বারে সাবান/হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখতে হবে।

মসজিদের ওযু খানা ব্যবহার না করে প্রত্যেককে নিজ নিজ বাসস্থান থেকে ওযু করে মসজিদে আসতে হবে এবং ওযু করার সময় কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে।

ঈদের নামাজের জামায়াতে আগত ধর্মপ্রাণ মুসল্লিগণকে অবশ্যই মাস্ক পরে মসজিদে আসতে হবে।

ঈদের নামাজ আদায়ের সময় কাতারে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে সামাজিক দুরুত্ব ও স্বাস্থ্য বিধি অনুসরণ করে দাঁড়াতে হবে।

এক কাতার অন্তর অন্তর কাতারবদ্ধ হতে হবে।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে মসজিদে জামায়াত শেষে কোলাকুলি এবং পরস্পর হাত মেলানো থেকে বিরত থাকুন।

মসজিদে শৃঙ্খলার সঙ্গে  প্রবেশ ও বাহির হওয়ার ক্ষেত্রে পৃথক পৃথক ব্যবস্থা রাখার জন্য মসজিদ কমিটি।

করোনা পরিস্থিতিতে আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীদের বাসায় যাতায়াত করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

ঈদের দিন ও পরবর্তী সময়ে বিনোদন কেন্দ্রে যাতায়াত না করে নিজ ঘরে অবস্থান করে পরিবারের সদস্যদের সাথে ঈদ উদযাপন করতে হবে।

ঈদ উদযাপনের লক্ষ্যে যারা ঢাকার বাহিরে যাবেন তারা তাদের বাসা অথবা ফ্ল্যাটের মেইন গেটে অটোলক ব্যবহার করুন এবং বাসাবাড়ী ত্যাগের পূর্বে রুমের দরজা-জানালা সঠিকভাবে তালাবদ্ধ রাখতে হবে।

মালিক পক্ষ স্ব স্ব মার্কেট/শপিং মলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করবে এবং নিজ নিজ এলাকার থানা/ফাঁড়ির সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখবে সবাই।

খালি বাসায় মূল্যবান সামগ্রী না রেখে ঢাকায় অবস্থান করছেন এমন আত্মীয়-স্বজনদের বাসায় তা রেখে যাওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

WP Twitter Auto Publish Powered By : XYZScripts.com