নোয়াখালীর কবিরহাটে হতদরিদ্রের জন্য বরাদ্দ বিজিডি কার্ডকে ঘিরে চাঞ্চল্যকর প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী এক নারীর দাবি ১৫হাজার টাকা চুক্তির—১০ হাজার টাকা দেওয়ার পরও কার্ড পাননি তিনি। উল্টো তাকে হুমকি ও লাঞ্ছনার শিকার হতে হচ্ছে।উপজেলা জামাতের সহকারী সেক্রেটারি মেজবা উদ্দিন, সে প্রতারকের পক্ষ হয়ে গোল নাহারকে চাপ দিচ্ছে সমাধানের জন্য, কবিরহাট উপজেলা, ঘোষবাগ ইউনিয়ন, ইউনিয়নের পূর্ব লামছি গ্রামের আবুল কালাম মিয়ার স্ত্রী গোল নাহার বিজিডি কার্ড নিতে চুক্তি করেন পার্শ্ববর্তী আলিপুর গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে আরমান, সোহান ও শাকিলের সঙ্গে ওই যুবকদের কাছে প্রথমে ১০ হাজার টাকা দেন তিনি। বাকি ৫ হাজার টাকা কার্ড দেওয়ার পর কথা থাকলেও এক বছরে আজও তা মেলেনি। ভুক্তভোগী নারী বলেন “আমি টাকা দেওয়ার পর কার্ড চাইতে গেলে আমাকে ভয়ভীতি দেখায়। আমার ছেলেকে হত্যার হুমকি দিয়েছে। এমনকি আমাকে ধর্ষণের ভয়ও দেখাচ্ছে।” ভুক্তভোগী জানান, উপজেলা জামাতের সহকারী সেক্রেটারি মেজবা উদ্দিনের আওতায় থেকে প্রতারকরা এমন ঘটনাগুলো ঘটিয়ে আসছে মেজবাহ তাদের পক্ষ হয়ে আমাকে চাপ দিচ্ছে সমাধানের জন্য,
এ ঘটনায় তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং থানায় অভিযোগ করলেও এখনো কোনো প্রতিকার পাননি। স্থানীয়দের দাবি “এই ধরনের প্রতারণা অনেক দিন ধরে চলছে। প্রশাসনের নজরদারির অভাবেই এমন প্রতারণা চলছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। এখন দেখার বিষয়—কবে এ ব্যাপারে কার্যকর ব্যবস্থা নেবে কর্তৃপক্ষ।