“রাজনীতি ও নির্বাচন শুধুমাত্র ব্যক্তিগত স্বার্থ নয়; এটি জনগণের সেবা করার এক পবিত্র দায়িত্ব”- আলমগীর নুর
চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালী-বাকলিয়া-চকবাজার) আসনে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে হঠাৎ আলোচনায় উঠে এসেছেন সাংবাদিক নেতা আলমগীর নুর। রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী মহলে তার নামটি এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।
বাকলিয়ার বিশিষ্ট জমিদার নুর মোহাম্মদ সওদাগরের সুযোগ্য সন্তান আলমগীর নুর দীর্ঘদিন বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত এবং একাধিকবার কারাবরণ, জুলুম ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তরুণ, শিক্ষিত ও ক্লিন ইমেজধারী হিসেবে তাকে ইতোমধ্যে স্থানীয় বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদল কর্মীরা গ্রহণযোগ্য প্রার্থী হিসেবে দেখতে চাইছেন।
রাজনৈতিক অঙ্গনে আলমগীর নুরের পরিচিতি বহুমাত্রিক। তিনি চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সহ-সম্পাদক, জাতীয় দৈনিক মানবকণ্ঠ-এর চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান
"জনগণের সেবা করা হলো নির্বাচিত প্রতিনিধির মূল দায়িত্ব।' সাংবাদিক আলমগীর নুর
এবং ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত 'তারেক রহমান রাজনৈতিক দর্শন চর্চা ও গবেষণা কেন্দ্র'-এর কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান। এছাড়া তিনি চট্টগ্রামের কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন 'চট্টগ্রাম রিপোর্টার্স ইউনিটি'-এর প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক। সাংবাদিক নেতা আলমগীর নুর বলেন, "রাজনীতি ও নির্বাচন একটি চলমান প্রক্রিয়া। বিএনপির মতো গণতান্ত্রিক দলে নতুন নেতৃত্ব ও
প্রার্থীর আগমন স্বাভাবিক বিষয়। মনোনয়ন শুধু কিছু নির্দিষ্ট ব্যক্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে তৃণমূল থেকে উঠে আসা তরুণ, মেধাবী ও শিক্ষিত কর্মীদের সুযোগ দেওয়া জরুরি।'
তিনি আরও বলেন, "অনেকে জনপ্রতিনিধি হওয়াকে ব্যবসা হিসেবে দেখেন। কিন্তু আমার কাছে এটি জনগণের সেবা করার একটি পবিত্র দায়িত্ব। নির্বাচিত প্রতিনিধি হলে সমাজ ও দেশের উন্নয়নে সরাসরি অবদান রাখার সুযোগ থাকে।'
উল্লেখ্য, তার পিতা মরহুম নুর মোহাম্মদ সওদাগর চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের একজন এবং দলের অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় আলমগীর নুরও নিজেকে রাজনীতি ও সাংবাদিকতার মেলবন্ধনে এক গ্রহণযোগ্য নতুন মুখ হিসেবে উপস্থাপন করতে সক্ষম হয়েছেন।