নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার কাবিলপুর ইউনিয়নের পূর্ব কাবিলপুর এলাকায় সংঘটিত হয় চাঞ্চল্যকর একটি ডাকাতির ঘটনা,
গত ২৪ জুলাই দিবা গত রাত, আনুমানিক ১টা ৪০ মিনিটে ঘটনাটি ঘটেছে। পুলিশ তিন জনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে।
আসামিরা হলেন ১/মোঃশহিদ(৩৩) পিতাঃসিরাজ মিয়া , সাং পশ্চিম ইয়ার পুর, কাবিল পুর ইউনিয়ন থানাঃসেনবাগ
২/মোঃদ্বীন ইসলাম স্বপন(৩৮)পিতাঃসুখ মিয়া সাং বজরা,দাইয়া মিয়ার বাড়ি,থানাঃ সোনাইমুড়ী ৩/শাহাদাত হোসেন রিমন( ৪১)পিতাঃমোহাম্মদ উল্লা (কালা),সাং,পৌর করিম পুর, থানাঃবেগমগন্জ সর্ব জেলা নোয়াখালীসহ
প্রায় ৮ থেকে ৯ জন মুখোশধারী ডাকাত সশস্ত্র অবস্থায়, প্লাস্টিকের টর্চ লাইট, চাপাতি, ছোরা, কিরিচ, শাবল এবং দেশীয় অস্ত্র "লোকাল গান" নিয়ে হানা দেয় সাবেক মেম্বার হুমায়ুন কবিরের বাড়িতে।
বেলকনির দরজার চিটকিনি ভেঙে তারা বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করে হুমায়ুন কবিরের পরিবার ও অতিথিদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মোট ৫ ভরি ১১ আনা স্বর্ণালঙ্কার, নগদ এক লক্ষ আটচল্লিশ হাজার টাকা এবং দুটি স্মার্টফোনসহ মোট ১০ লাখ ৭৮ হাজার টাকার মালামাল লুট করে।
এরপর একই রাতে পার্শ্ববর্তী আরো দুটি বাড়িতে ডাকাতির চেষ্টা চালায় চক্রটি। একপর্যায়ে মইজদীপুরে সাবেক চেয়ারম্যান সিরাজুল হকের বাড়িতে ঢুকে তার স্ত্রী ও মেয়েকেও জিম্মি করে আরও ৮ ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুটে নেয় তারা।
ঘটনা তদন্তে সেনবাগ থানা পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় প্রথমে গ্রেপ্তার করা হয় শহিদ মিয়াকে। তার কাছ থেকে উদ্ধার হয় ৯০ হাজার টাকা এবং একটি সিএনজি অটোরিকশা।
পরবর্তীতে তার স্বীকারোক্তিতে গ্রেফতার হয় আরেক আসামী মোঃ দ্বীন ইসলাম প্রঃ স্বপন। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী চিহ্নিত হয় তৃতীয় ডাকাত শাহাদাত হোসেন রিমন, যিনি পুলিশি অভিযানের সময় পুকুরে লাফ দিয়ে পালিয়ে যান। তবে তার বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয় ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত অস্ত্র ও সরঞ্জামাদি।
এছাড়া অভিযুক্তদের ব্যবহৃত আরও একটি সিএনজি উদ্ধার করা হয় চৌমুহনীর সবুজের গ্যারেজ থেকে।
এ ঘটনায় হুমায়ুন কবির বাদী হয়ে সেনবাগ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তভার পেয়েছেন এসআই সনৎ বড়ুয়া।
সেনবাগ থানার অফিসার ইনচার্জ মিজানুর রহমান ঘটনার নিশ্চিত করে বলেন পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। ডাকাতির সঙ্গে জড়িত বাকি আসামীদের গ্রেপ্তার ও লুটকৃত মালামাল উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।