গত ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ চট্টগ্রাম নগরীতে একটি পবিত্র মিলাদ মাহফিলে অংশ নেন বিএনপি নেতা মুহাম্মদ শাকের আহমদ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডক্টর শাহাদাত হোসেন, বিএনপি নেতা আবুল হাসেম বক্কর ও আবু সুফিয়ান।
মাহফিল শেষে তাঁদের সঙ্গে তোলা একটি ছবি শাকের আহমদ নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে পোস্ট করলে মুহাম্মদ ফারুক ও মুহাম্মদ নুরুদ্দীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণা শুরু করেন।
শাকের আহমদের প্রতিক্রিয়া
প্রসঙ্গটি নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে শাকের আহমদ বলেন—
“আমাকে আওয়ামী লীগের কর্মী সাজাতে চাইলে তাতে আমার ব্যক্তিগত ক্ষতি নেই, কিন্তু এতে বিএনপির সিনিয়র নেতাদের মর্যাদা ও মান-সম্মান আঘাতপ্রাপ্ত হয়। যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।”
তিনি আরও বলেন, “নুরুদ্দীন ভাই আমাকে না চিনলেও আমার কিছু যায় আসে না, তবে এতে দলের সম্মান ক্ষুণ্ন হচ্ছে।”
ভিত্তিহীন অভিযোগের নিন্দা
শাকের আহমদ নুরুদ্দীন ও ফারুকের প্রচারণাকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন আখ্যা দিয়ে তীব্র নিন্দা জানান। তিনি ব্যক্তিগত জেদ ও প্রতিহিংসা রাজনীতির মাঠে না আনার আহ্বান জানান।
তাঁর ভাষায়—“আমার রাজনৈতিক অবস্থান সবসময় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) পক্ষে। দল ও নেতাদের মর্যাদা রক্ষাকেই আমি প্রধান দায়িত্ব মনে করি।”
দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নের অভিযোগ
তিনি আরও বলেন, “যে বক্তব্যে বলা হয়েছে টাকা থাকলেই নেতাদের কাছে যাওয়া যায়—এটি শুধু আমাদের মাননীয় মেয়র মহোদয়, আবুল হাসেম বক্কর ভাই, সুপিয়ান ভাইসহ সিনিয়র নেতাদেরই নয়, পুরো দলের জন্য অপমানজনক।”
নেতাদের প্রতিক্রিয়া
বিএনপির উদ্যোমী নেতৃবৃন্দও নুরুদ্দীন ও ফারুকের প্রচারণাকে ভিত্তিহীন বলে মন্তব্য করেছেন। তাঁদের মতে, দলের ভাবমূর্তি নষ্টের এই ধরনের প্রচেষ্টা ভবিষ্যতের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।