ভারতে সরকারি চাকরিতে ‘হিন্দু’দের জন্য কোটা নির্ধারণ

32

ভারতে উচ্চ শ্রেণির হিন্দুদের জন্য সরকারি চাকরিতে ১০ শতাংশ কোটা নির্ধারণ করা হচ্ছে। গত বুধবার দেশটির লোকসভায় ক্ষমতাসীন বিজেপি সদস্যদের ভোটে বিলটি পাশ হয়। আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমধ্যম খালিজ টাইমসের খবরে বলা হয়, উচ্চ বেকারত্ব থাকা সত্ত্বেও নির্বাচনকে সামনে রেখে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে হিন্দু ঘেঁষা মোদি সরকার।

বেকারত্বের দিক থেকে ভারত পৃথিবীর দ্বিতীয় অবস্থানে। দেশটির পেশাজীবীদের তথ্যমতে, গত ১৫ মাসে বেকারত্বের হার বেড়েছে সবচেয়ে বেশি। খবরে বলা হয়, এমন এক মুহূর্তে নতুন এ কোটা ব্যবস্থা নির্ধারণ করলো বিজেপি সরকার যার কিছুদিন পরই দেশটিতে সাধারণ নির্বাচন। এ কোটার সুবিধা ভোগ করবে মূলত উচ্চ শ্রেণীর হিন্দুরা। যারা ঐতিহ্যগতভাবেই বিজেপির সমর্থক।

খবরে আরও বলা হয়, ২০১৪ সালে যে সমর্থন নিয়ে বিজেপি ক্ষমতায় এসেছিল গত ডিসেম্বরে তিন প্রদেশে কংগ্রেসের কাছে পরাজয়ের পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সেই আত্মবিশ্বাসে ভাটা পড়েছে।

narendra modi and amit shah

নির্বাচনের আগে বিজেপির এমন সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন অনেকেই। তাদের একজন সাবেক বিধানসভার সদস্য এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষক শহিদ সিদ্দিকী। তিনি এক টুইট বার্তায় বলেন, ‘মানুষ ক্ষুধার্ত, খাদ্য নেই, প্লেট ফাঁকা! কিন্তু মোদি সরকার যুবকদের জন্য কী করছে?’

তিনি আরও বলেন, ‘দেশের মোট জনশক্তির ১০ শতাংশই বেকার। কোনো চাকরি নেই। এর মধ্যে এ কেমন কোটা ব্যবস্থা।’

অল ইন্ডিয়া তৃনমূল কংগ্রেস পার্টির নেতা দেরেক ওব্রেইন বলেছেন, ‘সম্পূর্ণ লোক দেখানো এবং একপেশে আইন। এটা সাধারণ মানুষকে পাশ কাটিয়ে এক শ্রেণির মানুষকে সুবিধা দেয়া। এটা দিয়ে কখনো সমতা আনা সম্ভব নয়।’

তবে এসব সমালোচনাকে উড়িয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, ‘সব ধরণের মানুষকে সরকারি চাকরিতে সমান সুবিধা দিতেই এই কোটা ব্যবস্থা নির্ধারণ করা হয়েছে।’

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

WP Twitter Auto Publish Powered By : XYZScripts.com