এতকিছুর পরও খুশি বিপিএল কর্তৃপক্ষ!

291

এমনিতেই বিপিএলের ষষ্ঠ আসরের প্রচার-প্রচারণা কম হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই দর্শক টানতে পারেননি টুর্নামেন্ট কর্তৃপক্ষ। আজকের ছুটির দিন ছাড়া প্রায়সব ম্যাচেই দর্শকখরা দেখেছে বিপিএল। সেটা অবশ্য প্রতি আসরেরই চেনা দৃশ্য। দর্শকদের স্টেডিয়ামমুখি করতে দৃশ্যমান কোনো চেষ্টাও নেই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের।

এবারের আসরের নতুনত্ব হিসেবে যোগ হয়েছে ডিআরএস প্রযুক্তি। কিন্তু সেটা পরিপূর্ণ ব্যবহার হয়নি। প্রথম আট ম্যাচে রিভিউ থাকলেও ডিআরএসে ছিল না আল্ট্রা আজ। এ ছাড়া টুর্নামেন্টের টিভি প্রডাকশন, কমেন্ট্রি, ক্যামেরা, হাস্যকর গ্রাফিক্স এবং বাজে উইকেট নিয়ে প্রতি ম্যাচেই তুমুল বিতর্কের জন্ম দিয়ে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তো এনিয়ে প্রচুর ট্রলও হচ্ছে।

এতকিছুর পরও টুর্নামেন্টের প্রোডাকশন নিয়ে খুশি আয়োজকরা। তাদের দাবি সম্প্রচার হচ্ছে বিশ্বমানের। আজ আচমকা সংবাদ সম্মেলন করে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব ইসমাইল হায়দার মল্লিক বলেছেন, ‘কিছু প্রশ্ন এসেছে আমোদের প্রোডাকশন নিয়ে। এবার এটা আমরা নিজেরাই করছি। বিশ্বকাপ, আইপিএলের সেমিফাইনাল, ফাইনালে যে মানের প্রোডাকশন হয় মিরপুরেও সেটা হচ্ছে।’

আজ রংপুর রাইডার্স-ঢাকা ডায়নামাইটস ম্যাচ দিয়ে শুরু হয়েছে ডিআরএসের পূর্ণ ব্যবহার। অথচ ডিআরএসে আল্ট্রা-এজ না থাকা নিয়ে যে বিতর্ক হয়েছে সেটা নিয়ে মাথাব্যথা নেই টুর্নামেন্টের গভর্নিং কাউন্সিলের। বরং মল্লিক দাবি করলেন, ‘এবার ড্রোন, স্পাইডার ক্যামসহ ৩৫টি কামেরায় প্রোডাকশন হচ্ছে, যেটি আমোদের দেশে আগে কখনও হয়নি। একটি উপকরণ আসতে একটু দেরি হয়েছে, আলট্রা এজ। আলট্রা এজ যে চালাবে, তার ভিসা ছিল না।’

মল্লিক আরো বলেছেন, ‘সফটওয়ার তারই নিয়ে আসার কথা ছিল। আজ সে চলে এসেছে। বিশ্ব মানের প্রোডাকশন দেওয়ার চেষ্টা করছি। এখনও পর্যন্ত আমরা খুশি। খারাপ বলব না। ভালো যাচ্ছে। প্রযুক্তির দিক থেকে, উপকরণের দিক থেকে এর চেয়ে বেশি উপকরণ কোনো আইসিসি ইভেন্টেও ব্যবহার হয় না।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

WP Twitter Auto Publish Powered By : XYZScripts.com